আস্তিনে তুমি
তোমার সুঘ্রাণ পাচ্ছি —
তোমার চোখ মুখ ঠোঁট মিশে গেছে হাওয়ায়
তোমাকে দেখতে পাচ্ছি
তোমার স্তন নাভীমূল চিত্রিত দেহপট নক্ষত্র মালায়
কাঠে পিঠে দেয়ালে দেয়ালে পাতায় এবং প্ললবে!
তুমি আছো—
তোমার চোখ চেয়ে আছে সবুজ সায়রে
ঠোঁট শুষে নিচ্ছে জল;
মুখের ফুলদানিতে হাসিরা ফুটেছে সুন্দর!
তুমি আছো
এই হাতের কাছেই —চোখের উপর।
এইসব দিন
টুকটাক সময় পেলেই নিজের সাথে কথা বলি এখন —সারাদিনের সব ব্যস্ততাকে এড়াতে না পারলেও সন্ধ্যের গোধূলিটাকে —বাড়ি ফেরা ট্রেনের হুইসেলটাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আশ্চর্য রকম ঘুমিয়ে যাই —রাত্রিরবেলা!
এতদিনে অন্তত এইটুকু শিখেছি — কিভাবে আস্ত এক দুঃখ্যবোধকে জলের পসরায় রেখে জীবনটাকে হেমন্তের গাঙচিলের ঝাঁকের পিছে লেলিয়ে দেয়া যায়!
কিভাবে সবুজ মাঠের উপর ঘাসের বিছানায় নিজের অস্তিত্বটাকে খুঁজে পাওয়া যায় —শ্রান্তিহীন!
এখন জীবনের সবকটা ঘরে জানালার সবকটা শিক ভেঙে আচমকাই ঢুকে পরে চকচকে রোদ —সোনালী দিন
এইসব দিনের সমস্ত আলো গায়ে মেখে বেঁচে থাকি —রোজ।
দোয়া
তোমার যাওয়ার পথে
এই
চৈত্রে
যেনো
ছায়া
থাকে—
যেনো
ফুল ফুটে পথের দুপাশে!
.png)
0 Comments