সমুদ্র থামাও অশ্বারোহী
নক্ষত্রভেজা জলে ভেসে আসে কান্নার স্মৃতিকাঁদছে জিপসি ফুলের আয়ু, সবুজ দুঃখ
চোরাবালির ফাঁদ কিংবা প্রেমে পড়া চাঁদ; সূক্ষ্ম
আলোর শেষে দাঁড়িয়ে এক মুখোশে মোড়ানো চিঠি
ভেসে আসে দীর্ঘশ্বাসের সমুদ্র, রতির জোয়ার
আলো অন্ধকার বোহেমিয়ানের ঘুমন্ত শহর
জুয়াড়ির হাতে লেখা মৃত্যু-জীবনভর
খসে পড়ে ধ্বসে পড়ে দৈবের খোয়াড়!
উপত্যকায় স্পর্শ রেখে স্বর্গ ভেদ কে করে?
চুম্বনের বিরতি পরে কার কথা মনে পড়ে?
মধ্যরাতের আতশবাজি নয়, বিছানার হুলস্থুল শ্রেয়
যেমনটা কাছাকাছি শরীর ভালোবাসাবাসি
হামাগুড়ি দিয়ে আসা বিকিনির হাসাহাসি
একটা পার্থিব হেমন্তের অবসান হলে বিশ্রামে যেও
সংকেত ওড়ানো ঝোড়ো হাওয়া ও সমুদ্র থামাও
মৌলিক মোমের শরীর, উছলে আসা ঢেউ, সকাল
দিকশূন্য উথালপাথাল, সঙ্গমমূখী নারীকঙ্কাল
থামাও অশ্বারোহী বিপজ্জনক সমুদ্র থামাও।
রঙশূন্য অশ্রু, মৌনতার ধারাভাষ্য
প্রগাঢ় মৌনতা, যেমনটা যৌনতার পরে হয়
শ্রুতির অভ্যেস কম হলে!
আঙুলে উঠে আসে রঙশূন্য অশ্রু, জলরঙের পিতা
বালিশের নিচে মরে যায়, ভাতঘুমের নেশা
নির্বিঘœ মৌনতা, যেমনটা হয় এলিজির পরে
পোষমানা ময়নার ভাষায়!
বেদানার দানায় দানায় ঘুমিয়ে পড়ে রক্তপাতের ছুড়ি
সিঁড়ি ভেঙে উঠে যায়, নাইটগার্ডের পেশা
শঙ্খের মৌনতা, যেমনটা থাকে কু-লীর একবারে শেষভাগে
কুসুমিত হলেও, না হলেও!
শরীরেই অসূচি যতো উত্থিত হলে, লবণের গতি লেগে থাকে জিহ্বায়
শৃঙ্গার ফিরে ফিরে আসে, শোভন অঙ্গভঙ্গিকলায়
যখন তখন হত্যাকারীরা উপড়ে ফেলতে চায়
একজনমের দীর্ঘশ্বাসের শেকড়, অস্তিত্ব
কোথায় পালাবো আমি?
মুখ ভীষণ তেতো হয়ে আছে
হাসিতে হাজার হাহাকার গিলে গিলে
একদল দুর্বাঘাসকে প্রেমিকার বুক ভেবে ঠোঁট দিয়েছি
ভেসে উঠেছি মৃতপাথরের অভিসারে, অমানুষের অবয়বে
শান্ত জলের ওপরে আঘাত করে পড়ন্ত গাছের শরীরে, ছলাৎ...
স্পর্শের ভেতরে অন্যকাউকে পেয়েছো?
কোথায় পালাবো আমি?
কুঁকড়ে আছে অজস্র ডানাপোড়া স্বপ্ন, মগজের অন্ধকূপে
সন্ধ্যেবেলার ধূপে, নিঃসঙ্গ সারিন্দার কান্না রেখে
আমি কোথায় পালাবো?
সংশয় নিয়ে গিলে ফেলি- কৃষ্ণপক্ষের রাত
পোড়া আতশবাজির হাহাকার, আদ্র আগুন;
একটা বুলেট বিদ্ধ বুকের নিঃসঙ্গ কান্না।
শুনশান মেঘের আহ্লাদ ভেদ করে চলে যায় প্লেন
কণ্ঠনালী বেয়ে নেমে যায় শব্দ, নরকের ভেতর;
সন্দেহের বিষাদ থরেবিথরে বসে যায় সানসেটে।
কেউ একটা সিগারেট দাও, কেউ একটা স্বপ্ন দাও
স্বপ্নটাকে আমি সিগারেটের আগুনে পোড়াবো।
অন্ধের হাত ধরে চলে যাব পানশালায়,
মিমাংসাযোগ্য সংঘাত পরিনত হবে সংঘর্ষে!
কারটা প্রাইভেট, তবে ভাড়ায়ও খাটে দিনেদুপুরে
সেও-যে চোখে দেখে না
কেবল সবুজবাতির ইশারা টের পায়।
অন্দরমহলে কে জলসা বসায়? কে হাসে? কে নাচে? কে কাঁদে?
কে তার শেষ সম্বল বন্ধক রেখে যায়?
অন্ধকারের রেখায় রেখায়?
গ্লাসে আরো বরফকুচি দাও, প্লেট ভরে দাও বাদাম
সামান ফিশফ্রাইও কি দিতে পারো? একটু করে চেখে দেখি!
ঘোরের ভেতর ভোরবেলা হাঁটতে যেয়ে ঘুমিয়ে যাব,
নাগরিক হ্রদের তীরে, টাইলসে মোড়া বেঞ্চে!
শ্রুতির অভ্যেস কম হলে!
আঙুলে উঠে আসে রঙশূন্য অশ্রু, জলরঙের পিতা
বালিশের নিচে মরে যায়, ভাতঘুমের নেশা
নির্বিঘœ মৌনতা, যেমনটা হয় এলিজির পরে
পোষমানা ময়নার ভাষায়!
বেদানার দানায় দানায় ঘুমিয়ে পড়ে রক্তপাতের ছুড়ি
সিঁড়ি ভেঙে উঠে যায়, নাইটগার্ডের পেশা
শঙ্খের মৌনতা, যেমনটা থাকে কু-লীর একবারে শেষভাগে
কুসুমিত হলেও, না হলেও!
শরীরেই অসূচি যতো উত্থিত হলে, লবণের গতি লেগে থাকে জিহ্বায়
শৃঙ্গার ফিরে ফিরে আসে, শোভন অঙ্গভঙ্গিকলায়
কোথায় পালাবো আমি?
অমানুষের জঙ্গলে এক নিরীহ গুল্ম হয়ে আছিযখন তখন হত্যাকারীরা উপড়ে ফেলতে চায়
একজনমের দীর্ঘশ্বাসের শেকড়, অস্তিত্ব
কোথায় পালাবো আমি?
মুখ ভীষণ তেতো হয়ে আছে
হাসিতে হাজার হাহাকার গিলে গিলে
একদল দুর্বাঘাসকে প্রেমিকার বুক ভেবে ঠোঁট দিয়েছি
ভেসে উঠেছি মৃতপাথরের অভিসারে, অমানুষের অবয়বে
শান্ত জলের ওপরে আঘাত করে পড়ন্ত গাছের শরীরে, ছলাৎ...
স্পর্শের ভেতরে অন্যকাউকে পেয়েছো?
কোথায় পালাবো আমি?
কুঁকড়ে আছে অজস্র ডানাপোড়া স্বপ্ন, মগজের অন্ধকূপে
সন্ধ্যেবেলার ধূপে, নিঃসঙ্গ সারিন্দার কান্না রেখে
আমি কোথায় পালাবো?
সংশয়ে গেলা অন্ধকার ও অন্যান্য
অন্ধকার! অন্ধকার! অন্ধকার!সংশয় নিয়ে গিলে ফেলি- কৃষ্ণপক্ষের রাত
পোড়া আতশবাজির হাহাকার, আদ্র আগুন;
একটা বুলেট বিদ্ধ বুকের নিঃসঙ্গ কান্না।
শুনশান মেঘের আহ্লাদ ভেদ করে চলে যায় প্লেন
কণ্ঠনালী বেয়ে নেমে যায় শব্দ, নরকের ভেতর;
সন্দেহের বিষাদ থরেবিথরে বসে যায় সানসেটে।
কেউ একটা সিগারেট দাও, কেউ একটা স্বপ্ন দাও
স্বপ্নটাকে আমি সিগারেটের আগুনে পোড়াবো।
অন্ধের হাত ধরে চলে যাব পানশালায়,
মিমাংসাযোগ্য সংঘাত পরিনত হবে সংঘর্ষে!
কারটা প্রাইভেট, তবে ভাড়ায়ও খাটে দিনেদুপুরে
সেও-যে চোখে দেখে না
কেবল সবুজবাতির ইশারা টের পায়।
অন্দরমহলে কে জলসা বসায়? কে হাসে? কে নাচে? কে কাঁদে?
কে তার শেষ সম্বল বন্ধক রেখে যায়?
অন্ধকারের রেখায় রেখায়?
গ্লাসে আরো বরফকুচি দাও, প্লেট ভরে দাও বাদাম
সামান ফিশফ্রাইও কি দিতে পারো? একটু করে চেখে দেখি!
ঘোরের ভেতর ভোরবেলা হাঁটতে যেয়ে ঘুমিয়ে যাব,
নাগরিক হ্রদের তীরে, টাইলসে মোড়া বেঞ্চে!
জানালায় বাজছে বিষুদবারের গান
চোখে ঘুম, শরীরে কাম, কপালে ঘাম
অচল পয়সার ঝিমুনি অন্ধকার শোয়ার ঘরের নাম
বসন্ত ফেলে চলে যাই শীতের ওমের কাছে
রিলের ভিডিয়োয়, উষ্ণ ঠোঁটের আঁচে
তারায় তারায় রাত গভীরের পায়তারায়,
কেউ বিয়ের গীতের তালে নাচছে, আঁচল খুলে হেলেদুলে,
লোকাল বাসের বোলে
দরজাটা ভেজানো, জানালোগুলো খোলা
নীলিমা নামের গায়িকার গলায় স্টেজ কাঁপানো দোলা
রঙিনআলোর ঝালোরকাটায়, লাল-নীল সন্তরণ
একহাত দূরে শুয়ে আছে এক ক্লান্ত নারীর মন
বিষুদবারের রাতে বাজে বোতাম খোলার টিউন
মাখো দেবী আরো মাখো ফ্রান্সের পারফিউম
জানালা খুলে ঢুকে গভীরে গেলে, আরো উষ্ণ ভূমি
পৌরুষের স্পর্শে ফোটে টিউলিপ ঝুমঝুমি
অচল পয়সার ঝিমুনি অন্ধকার শোয়ার ঘরের নাম
বসন্ত ফেলে চলে যাই শীতের ওমের কাছে
রিলের ভিডিয়োয়, উষ্ণ ঠোঁটের আঁচে
তারায় তারায় রাত গভীরের পায়তারায়,
কেউ বিয়ের গীতের তালে নাচছে, আঁচল খুলে হেলেদুলে,
লোকাল বাসের বোলে
দরজাটা ভেজানো, জানালোগুলো খোলা
নীলিমা নামের গায়িকার গলায় স্টেজ কাঁপানো দোলা
রঙিনআলোর ঝালোরকাটায়, লাল-নীল সন্তরণ
একহাত দূরে শুয়ে আছে এক ক্লান্ত নারীর মন
বিষুদবারের রাতে বাজে বোতাম খোলার টিউন
মাখো দেবী আরো মাখো ফ্রান্সের পারফিউম
জানালা খুলে ঢুকে গভীরে গেলে, আরো উষ্ণ ভূমি
পৌরুষের স্পর্শে ফোটে টিউলিপ ঝুমঝুমি
সেলাই করা বুক নিয়ে অপেক্ষায় আছি
সেলাই করা বুক নিয়ে অপেক্ষায় আছি
যদি ঘোরে মরে যাই, সেই ভয়ে ঘুমাইনি
অপেক্ষায় উবে গেছে পিরিচের চা
শুকিয়ে গেছে কমলায় কোয়া।
জলের গ্লাসে লাল পিঁপড়েও বেঁচে ফিরেছে
খবরের কাগজের বিজ্ঞাপনের নারীরাও ফিরেছে
ডাস্ট এলার্জির যন্ত্রণা নিয়ে অপেক্ষায় আছি বাসস্টপে
কে যেন কড়া পারফিউম মেখে রুমডেটিংয়ে গেল!
অথচ তোমার আসার কথা ছিল।
সেলাই করা বুক নিয়ে অপেক্ষায় আছি
ছাতায় দেওয়া ফুলের ছাপে তোমার নাম
অবসাদ ঘেরা বিকেলেÑ
কেউ একজন সেকেলে মন নিয়ে পায় রোদের ঘ্রাণ
খুব বেশি স্বপ্নের ক্ষুধা ফেলে জেগে আছি
যদি ঘোরে মরে যাই, সেই ভয়ে ঘুমাইনি।
চোখের ভাষায় একটা রাত পড়ার আশায়
চা ছাড়াই চাঙা হয়ে আছি
ওয়ালেট থেকে উঁকিঝুঁকি দেয় ছেড়া টাকা
যেন বক্ষবন্ধনীর অনাবৃত ফিতে!
সব হিসসা চুকে যাবে, যদি আসো শেষবারের ঘুমের আগে!
যদি ঘোরে মরে যাই, সেই ভয়ে ঘুমাইনি
অপেক্ষায় উবে গেছে পিরিচের চা
শুকিয়ে গেছে কমলায় কোয়া।
জলের গ্লাসে লাল পিঁপড়েও বেঁচে ফিরেছে
খবরের কাগজের বিজ্ঞাপনের নারীরাও ফিরেছে
ডাস্ট এলার্জির যন্ত্রণা নিয়ে অপেক্ষায় আছি বাসস্টপে
কে যেন কড়া পারফিউম মেখে রুমডেটিংয়ে গেল!
অথচ তোমার আসার কথা ছিল।
সেলাই করা বুক নিয়ে অপেক্ষায় আছি
ছাতায় দেওয়া ফুলের ছাপে তোমার নাম
অবসাদ ঘেরা বিকেলেÑ
কেউ একজন সেকেলে মন নিয়ে পায় রোদের ঘ্রাণ
খুব বেশি স্বপ্নের ক্ষুধা ফেলে জেগে আছি
যদি ঘোরে মরে যাই, সেই ভয়ে ঘুমাইনি।
চোখের ভাষায় একটা রাত পড়ার আশায়
চা ছাড়াই চাঙা হয়ে আছি
ওয়ালেট থেকে উঁকিঝুঁকি দেয় ছেড়া টাকা
যেন বক্ষবন্ধনীর অনাবৃত ফিতে!
সব হিসসা চুকে যাবে, যদি আসো শেষবারের ঘুমের আগে!
মৃত্যুর দৃশ্যে এক বোবাচরিত্রে
বহুবার দেখেছি মৃত্যুর স্বপ্ন, বহুবার উঠেছি জেগে
বালিশের নিচের অন্ধকার ক্রমশ ঢুকেছে, ঘরে
একজন কালো হত্যাকারী গলাচিপে ধরলে-
বেলেহাঁসের ডানায় ভর করে উড়তে চাই, পারি না
বোবাচরিত্রে হাসফাঁস লাগলে কিছুটা গোঙানি বেরোয়
সঙ্ঘবদ্ধ নিঃশ্বাস ফেলে বারবার বেঁচে থাকতে চাই
শুকনোকাঠ কণ্ঠনালী, জিহবা ও ঠোঁটে
মেঘের জলের শীতল শরবত একটুখানি খেলে
শোকসংবাদটিও উবে যায়, কার হাতের ইশারায়
শব্দহীন চিৎকারে, শব্দহীন কান্নায়
অপরাজিতার হাতের ছোঁয়ায়, মধ্যরাতে বেঁচে যাই
জলের বোতল মুখে দিলে গলে যায় শঙ্কা ও সংশয়
সম্ভাব্য শ্মশান থেকে সংসারে ফিরে
ফের বোবাচরিত্রে অন্তর্ধানে যাই, উপায় নাই
এখানে কেবল মৃত্যুর দৃশ্য নেই, বোবার চরিত্র ভীষণ মিনমিনে
বালিশের নিচের অন্ধকার ক্রমশ ঢুকেছে, ঘরে
একজন কালো হত্যাকারী গলাচিপে ধরলে-
বেলেহাঁসের ডানায় ভর করে উড়তে চাই, পারি না
বোবাচরিত্রে হাসফাঁস লাগলে কিছুটা গোঙানি বেরোয়
সঙ্ঘবদ্ধ নিঃশ্বাস ফেলে বারবার বেঁচে থাকতে চাই
শুকনোকাঠ কণ্ঠনালী, জিহবা ও ঠোঁটে
মেঘের জলের শীতল শরবত একটুখানি খেলে
শোকসংবাদটিও উবে যায়, কার হাতের ইশারায়
শব্দহীন চিৎকারে, শব্দহীন কান্নায়
অপরাজিতার হাতের ছোঁয়ায়, মধ্যরাতে বেঁচে যাই
জলের বোতল মুখে দিলে গলে যায় শঙ্কা ও সংশয়
সম্ভাব্য শ্মশান থেকে সংসারে ফিরে
ফের বোবাচরিত্রে অন্তর্ধানে যাই, উপায় নাই
এখানে কেবল মৃত্যুর দৃশ্য নেই, বোবার চরিত্র ভীষণ মিনমিনে
কোয়ারেন্টাইনে অন্তর্বর্তী বসন্ত
সেই বসন্ত ছিলো আতঙ্কে ঘেরা; যন্ত্রণার নিনাদ ভরা
কয়েক শতাব্দী ঘুমিয়ে থেকে জেগে উঠেছে এক অদৃশ্য হন্তারক
বুকে বুকে চৈত্রের হাহাকার ছাপিয়ে মৃত্যুর অপেক্ষা
কে কারে ছুঁয়ে দেয়! কে কার আয়ু খায়!
কে কারে আলিঙ্গন করে পোড়াবে করোনার আগুনে?
কে করে জীবাণুস্ত্ররের চুলচেরা ব্যাখা?
আমার ঘরে নবজাতকের হাসিকান্না; খেলা
সব বসন্ত ছুটে আসে, ঘিরে আসে উত্তুঙ্গ ভোরবেলা
কোয়ারান্টাইনে সে এক বসন্ত বটে
নিহত প্রজাতির প্রজাপতি হওয়ার গল্পও বটে
দেয়ালে দেয়ালে লেখা স্যাঁতস্যাতে দূরত্ব
ঘর থেকে ঘরে যোজন যোজন ফারাক
কেউ অনন্ত সহ্যের হাতটা বাড়াক!
কয়েক শতাব্দী ঘুমিয়ে থেকে জেগে উঠেছে এক অদৃশ্য হন্তারক
বুকে বুকে চৈত্রের হাহাকার ছাপিয়ে মৃত্যুর অপেক্ষা
কে কারে ছুঁয়ে দেয়! কে কার আয়ু খায়!
কে কারে আলিঙ্গন করে পোড়াবে করোনার আগুনে?
কে করে জীবাণুস্ত্ররের চুলচেরা ব্যাখা?
আমার ঘরে নবজাতকের হাসিকান্না; খেলা
সব বসন্ত ছুটে আসে, ঘিরে আসে উত্তুঙ্গ ভোরবেলা
কোয়ারান্টাইনে সে এক বসন্ত বটে
নিহত প্রজাতির প্রজাপতি হওয়ার গল্পও বটে
দেয়ালে দেয়ালে লেখা স্যাঁতস্যাতে দূরত্ব
ঘর থেকে ঘরে যোজন যোজন ফারাক
কেউ অনন্ত সহ্যের হাতটা বাড়াক!
স্বপ্নের শব্দ নেই, হয় না
স্বপ্নের শব্দ নেই, হয় না; সম্ভাবনাও ক্ষীণ, ছারখার
কেবল থাকে চারকোল-কালো, আধো অন্ধকার
বিচ্ছিন্ন যাতায়াত, অসংযত ভয়, হঠাৎ ধাতু ক্ষয়
এরচেয়ে বেশি কিছু নয়, যতোটা সম্ভবও নয়
স্বপ্নেরা শব্দ করায়, আগুন ধরায়, বসুন্ধরায়
রত্তিরত্তি রতি ক্রিয়ার হিসেব, পাতার খাতায়
কৃষিক্ষেতের আইল, গোবর মেশানো ছাই
ঘুম ভাঙার আগে যতোটা দেখতে পাই
নিঃশব্দে স্বপ্নেরও দাহ্যযাত্রা ঠেকাই
নিঃস্বের আজ অব্দি কোনো গোধূলি বিকেল নেই
ঘুম ভাঙে, স্বপ্নও জাগে, কাঁদে বৃদ্ধ ঢোড়াসাপ
ক্যালকুলেটরে ভেসে ওঠে নতুন এককের পাপ
কেবল থাকে চারকোল-কালো, আধো অন্ধকার
বিচ্ছিন্ন যাতায়াত, অসংযত ভয়, হঠাৎ ধাতু ক্ষয়
এরচেয়ে বেশি কিছু নয়, যতোটা সম্ভবও নয়
স্বপ্নেরা শব্দ করায়, আগুন ধরায়, বসুন্ধরায়
রত্তিরত্তি রতি ক্রিয়ার হিসেব, পাতার খাতায়
কৃষিক্ষেতের আইল, গোবর মেশানো ছাই
ঘুম ভাঙার আগে যতোটা দেখতে পাই
নিঃশব্দে স্বপ্নেরও দাহ্যযাত্রা ঠেকাই
নিঃস্বের আজ অব্দি কোনো গোধূলি বিকেল নেই
ঘুম ভাঙে, স্বপ্নও জাগে, কাঁদে বৃদ্ধ ঢোড়াসাপ
ক্যালকুলেটরে ভেসে ওঠে নতুন এককের পাপ
অগ্রন্থিত ছদ্মবেশ
ভদ্রলোকের নাম নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির
শার্টের নীচে আঁকড়ে আছে শ্রান্ত ক্লাউন
চোখের নীচে কালশিটে, কিছুটা ব্রাউন
প্রহসন হাসে বেডের পাশে, চাকরি কেরানির
উসকানি গিলে খায় হৃদয়ের সাপুড়ে
উঁকি দেয় খোঁচাদাঁড়ির যৌবন; চিন্তালীন
পরিপাশে পল্টি খায় অস্পৃশ্য শব্দহীন
নরকের গান গায় তেলচিটে কাপড়ে
মনকমল টুকরো করে বিদেশি এক নাইফ
সব কথা সয়ে যায়, সব ব্যথা বয়ে যায়
স্বপ্নের নামে আসে অসহ্য এক সমবায়
বঞ্চিতের নেই কোনো এইম ইন লাইফ
ক্লেশমত্ত ফড়িং বসে বাসের সিট কভারে
ভাঁজ করা সনদ সাঁটা ভেজা বগলের নীচে
বিশ্রাম নিতে পারেনি জলে, আজো সি-বিচে
কে করলো গাঢ় কালো রক্তমাখা জবারে?
শার্টের নীচে আঁকড়ে আছে শ্রান্ত ক্লাউন
চোখের নীচে কালশিটে, কিছুটা ব্রাউন
প্রহসন হাসে বেডের পাশে, চাকরি কেরানির
উসকানি গিলে খায় হৃদয়ের সাপুড়ে
উঁকি দেয় খোঁচাদাঁড়ির যৌবন; চিন্তালীন
পরিপাশে পল্টি খায় অস্পৃশ্য শব্দহীন
নরকের গান গায় তেলচিটে কাপড়ে
মনকমল টুকরো করে বিদেশি এক নাইফ
সব কথা সয়ে যায়, সব ব্যথা বয়ে যায়
স্বপ্নের নামে আসে অসহ্য এক সমবায়
বঞ্চিতের নেই কোনো এইম ইন লাইফ
ক্লেশমত্ত ফড়িং বসে বাসের সিট কভারে
ভাঁজ করা সনদ সাঁটা ভেজা বগলের নীচে
বিশ্রাম নিতে পারেনি জলে, আজো সি-বিচে
কে করলো গাঢ় কালো রক্তমাখা জবারে?
.png)
0 Comments