পাতাবাহার
তখন জেগে উঠি। মুগ্ধ হই। চেনা সুরে। হৃৎপিণ্ড এফোঁড়ওফোঁড় করা সেসব কথামালা... কোনোকিছুই যেনো আলাদা নয়! এমন সুখে কিংবা দুঃখে, বিব্রত হও কি তুমিও? যেহেতু, জেগে ওঠা নতুন চর দেখে, হামলে পড়া মানুষের স্বভাব
পথে, লাল পতাকা দেখে ভয় পাই আমিও। উপাসনার আলো খণ্ডিত করলেও! ময়দান, প্রতিযোগীতা, ঘোড়ার খুরের শব্দ কোনোকিছুই গোপনীয় নয়। সহজ, এমন পরিভ্রমণ। ডুবে যাওয়া...
আরো আগে, রোদে দাঁড়িয়ে, অনেকবার মেপেছি পাতাবাহারের উচ্চতা। প্রথম প্রেমের মতো, পাল্লা দিয়ে বাড়িয়েছি স্বজন; ততোধিক ছায়ায়
অভিযোগ-যোগ
আগে প্রসূতি হও জন্মদাগ!
দফায় দফায় আরোহী চোখে একেকটা বিব্রত তারা গুনে রাখার পাশাপাশি
দূর ভ্রমণে এখনো ব্যস্ত গোল্লাছুট প্রিয় বন্ধুরা। হার্দিক আয়োজনের মধ্যমণি ছ'বছরের ছোট্ট ভাইটা সবে বুঝতে শিখেছে__মায়ের বকুনি আড়াল করা তরল বিকেল
দীদার তো আরো গভীরে
বেদনা ভেঙে-উদ্ভব আনন্দের কাছাকাছি!
হৃদয় সত্য কথা বলে
১
দ্ব্যর্থ কর্পূরের নিদ্রাহীনতা আশ্চর্যের নয! এমন অংশীদারত্বে, হাত সমান পৃথিবীর দায় সমান। গুনে রাখা হাঁসের দল তবুও পায় স্বাধীনতা...
২
শিকারী বাজপাখি নেমে আসে; থেমে নেই- অব্যর্থ কাঠঠোকরার যুক্ত-দিন। আরও গভীর দ্বিধার প্রেম, ঘোলাটে পানিতে
৩
বহুবার ঘুরেছি সীমানাপ্রচীর। ছোট ছোট পায়ের আঙুল তুলে দিয়েছি উজানে; স্বীকার-অস্বীকারের তপ্ত ছায়ায়। কী নিয়ে বসবো উপাসনায? প্রকাশ্য আকাশ এতোটাই দূর!
৪
আর, মা মা গন্ধে ভরা সামিয়ানার নিচে পরিচিত নই। নইলে, পার্শ্ব রাস্তায় নেমে আসতাম। একইসাথে আশ্রয় নিতাম যুদ্ধজাহাজে। এও জানি, হৃদয় পোষ মানলে কাকতাড়ুয়ার দরকার নেই
বিসর্গ
পায়ে হাঁটা হাটুরে
হুড খোলা রিক্সার যাত্রীও দেখেন
কেমন আছেন? প্রশ্নের অনুপস্থিতিতে বড়ো ভদ্রোচিত সৌন্দর্য, হাতকাটা কাকতাড়ুয়ার জামায়, দস্যু কিশোরের বেয়াড়া কঞ্চি জোড়া লাগানো!
কাছাকাছি__ যোগ দেয় কী অলস সূর্য? বাতাসের কোমল আরাধনায়! কেননা, শরীরে সর্ষে ফুল জড়ানো কিশোরীর ছবিটা সরল জেনেও, পাহারারত, বাড়ির ছাদ ঢালাইয়ে ব্যস্ত বাবার তীক্ষ্ণ চোখ
.png)
0 Comments